ফরিদপুরের তিন উপজেলায় পৃথক ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু
ফরিদপুরের তিনটি উপজেলায় সোমবার (৬ জুলাই) পৃথক ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সালথায় এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ, সদরপুরে পুকুরে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং মধুখালীতে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের উজিরপুর গ্রামের বাসিন্দা মিহার বেগম (৮০) সকালে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাবার খাওয়ার পর অসুস্থতা ও অস্থিরতার কথা জানান। পরে তাকে বাড়ির একটি কক্ষে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে। নিহত মিহার বেগম উজিরপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাক মোল্যার স্ত্রী।অন্যদিকে, সদরপুর উপজেলার ভাষানচর ইউনিয়নের সুবদেব নগর গ্রামে পুকুরে ডুবে আবদুল্লাহ (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সে ভাষানচর ইউনিয়নের চানপুর গ্রামের বেলায়েত হোসেন ও রিনা আক্তারের ছেলে।পরিবারের সদস্যরা জানান, কয়েকদিন ধরে আবদুল্লাহ তার নানা সদর আলীর বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। সোমবার বিকেলে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে সদরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।এদিকে, মধুখালী উপজেলার কামালদিয়া ইউনিয়নের মীরের কাপাসহাটিয়া রেলক্রসিং থেকে প্রায় ৩০০ গজ উত্তরে রেললাইনে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় (আনুমানিক ৪৫) এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।স্থানীয়দের ভাষ্য, ভাঙ্গা থেকে ভাটিয়াপাড়াগামী একটি ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার আগে তাকে রেললাইনের ওপর বসে থাকতে দেখা গেছে বলে জানান এলাকাবাসী। খবর পেয়ে মধুখালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করে এবং বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে অবহিত করে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া রেলওয়ে পুলিশ পরিচালনা করছে।