২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতে স্পেন। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শেষ বাঁশি বাজতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন স্প্যানিশ ফুটবলাররা। অন্যদিকে শিরোপা হারানোর হতাশায় ভেঙে পড়ে আর্জেন্টিনা শিবির।
তবে ম্যাচ শেষের উদযাপন ঘিরে মাঠে সৃষ্টি হয় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি। স্পেনের ফুটবলারদের বিজয় উদযাপনের সময় আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লেয়ান্দ্রো পারেদেস স্প্যানিশ ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সতীর্থদের নিয়ে মাঝমাঠে উদযাপন করছিলেন গার্সিয়া। সে সময় পারেদেস এগিয়ে এসে তার গলা চেপে ধরেন। ঘটনাটি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই টেলিভিশন ক্যামেরায় ধরা পড়ে এবং দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি দ্রুত মাঠে নেমে দুই খেলোয়াড়কে আলাদা করার চেষ্টা করেন। পরে আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ ওয়াল্টার সামুয়েল এবং উভয় দলের অন্যান্য ফুটবলারও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসেন।
এ সময় স্পেনের মিডফিল্ডার গাভিও ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে আর্জেন্টিনার থিয়াগো আলমাদা হাতাহাতির মধ্যে পড়ে যান। অভিযোগ রয়েছে, পারেদেস পরে গাভির জার্সি ধরে টেনে ফেলে দেন।
ম্যাচ-পরবর্তী এই বিশৃঙ্খলার জেরে রেফারি লেয়ান্দ্রো পারেদেসকে লাল কার্ড দেখান। ফাইনালের নাটকীয় লড়াই শেষ হলেও মাঠের এই উত্তপ্ত ঘটনা বিশ্ব ফুটবলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।