ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দিল্লি হাইকোর্ট এক মামলার রায়ে জানায়, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় মোদির স্নাতক ডিগ্রি প্রকাশে বাধ্য নয়। ফলে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে চলমান রহস্য আরও গভীর হলো।
মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে হাইকোর্টের রায়, রহস্য আরও ঘনীভূত





একই রায়ে সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানির দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ফল প্রকাশেরও কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলে জানায় আদালত। বিচারপতি সচিন দত্ত বলেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা ব্যক্তিগত তথ্যের অন্তর্ভুক্ত, যা তথ্য অধিকার আইনের আওতায় পড়ে না।
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে মোদি বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, কৈশোরে সংসার ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ায় তাঁর পড়াশোনা বেশি হয়নি। পরে জানা যায়, তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তবে এই সার্টিফিকেট নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলা হয়। যেমন—মোদির দাবি অনুযায়ী ১৯৭৮ সালে তিনি ‘Entire Political Science’ বিষয়ে বিএ পাস করেছিলেন, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন কোনো বিষয়ই ছিল না। এছাড়া তাঁর ডিগ্রিপত্র নিয়েও অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এ বিতর্কে এর আগে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন। কিন্তু আদালত বলেছে, জনপ্রতিনিধি হতে হলে শিক্ষাগত ডিগ্রি থাকা বাধ্যতামূলক নয়।