অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক দীর্ঘদিন ধরে ত্বকের ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন। ২৫ আগস্ট আবারও তাঁর শরীর থেকে ক্যানসার অপসারণের অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। বিষয়টি তিনি নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীদের জানিয়েছেন। ক্লার্ক মনে করেন, খেলোয়াড়ি জীবনে বছরের পর বছর প্রখর রোদে মাঠে থাকার কারণেই তিনি এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।
ক্রিকেটার মাইকেল ক্লার্ক ত্বকের ক্যানসারে আক্রান্ত





কারা ঝুঁকিতে?
বাংলাদেশে ত্বকের ক্যানসারের হার তুলনামূলক কম হলেও ঝুঁকিমুক্ত বলা যায় না কাউকে।
-
যারা দীর্ঘ সময় রোদে কাজ করেন, তাঁদের ঝুঁকি বেশি।
-
মুখমণ্ডল, ঠোঁট, কান, হাত-পা, পিঠ ও মাথার ত্বক সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
-
যাঁদের গায়ের রং ফর্সা।
-
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল, বিশেষ করে স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ ব্যবহারকারীরা।
-
পরিবারে ত্বকের ক্যানসারের ইতিহাস আছে।
-
পুরোনো ক্ষত বা ঘা যেখানে বারবার সংক্রমণ হয়।
যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন
-
হঠাৎ নতুন দানা বা গোটা ওঠা।
-
পুরোনো তিল বা দাগের আকার-রঙ পরিবর্তন হওয়া।
-
এমন ক্ষত তৈরি হওয়া যা সহজে শুকায় না বা বারবার রক্ত পড়ে।
-
ত্বকে অস্বাভাবিক চুলকানি, ব্যথা বা জ্বালাপোড়া অনুভব করা।
এসব উপসর্গ এক মাসের বেশি সময় স্থায়ী হলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।
প্রতিরোধের উপায়
-
নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা।
-
দুপুরের রোদ এড়িয়ে চলা।
-
রোদে গেলে ফুলহাতা জামা, লম্বা প্যান্ট পরা।
-
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ না খাওয়া।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বকের ক্যানসার সময়মতো শনাক্ত হলে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাই সচেতনতা ও সতর্কতা—এই দুইই রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় উপায়।